পেকুয়ার বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
পেকুয়ায় বন্যা ও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে স্লুইসগেটের সব ধরনের ইজারা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী-খাল পুনঃখনন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৮ জুলাই) পেকুয়ার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা, ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ ও দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া স্লুইসগেট পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে ঘর ও গৃহস্থালি উপকরণ হস্তান্তর করেন।[BANGVIEWS-POST:2034]পেকুয়া সদর ইউনিয়নের পূর্ব মেহেরনামায় ভাঙনকবলিত বেড়িবাঁধ পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর পেকুয়ার মানুষকে বন্যার দুর্ভোগে পড়তে দেওয়া হবে না। এলাকার বেড়িবাঁধগুলো টেকসইভাবে নির্মাণ এবং পুরোনো স্লুইসগেট আধুনিকায়ন করা হবে। প্রয়োজন হলে নতুন স্লুইসগেটও নির্মাণ করা হবে।দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি লবণাক্ত পানির অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ বন্ধ করা হবে বলেও জানান তিনি। দখল হওয়া নদী ও খাল পুনঃখনন এবং দখলমুক্ত করতে বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সরকার শুধু ত্রাণ বিতরণে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের পাশাপাশি কৃষক, মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী ও লবণচাষিদের সহায়তা করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হবে।[BANGVIEWS-POST:2042]বারবাকিয়া ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণের সময় তিনি বলেন, সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে কার্ড নয়, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করাই গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি সহায়তা যেন যথাযথ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেটিই সরকারের লক্ষ্য।সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বারবাকিয়া, শিলখালী, টৈটং, মগনামা, রাজাখালী ও উজানটিয়া ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণ করেন। আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মিত ঘর ও গৃহস্থালি উপকরণও হস্তান্তর করা হয়।ছনুয়া-রাজাখালী সেতু নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই উপজেলার মানুষের যাতায়াত সহজ করা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।