ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

‘একসঙ্গেই শেষ করব’, ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর কথোপকথনে কী ইরানে হামলার ইঙ্গিত?

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় আকারের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর জোরালো সম্ভাবনার গুঞ্জনের মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক গোপন ও অঘোষিত বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দক্ষিণ ইসরায়েলের কৌশলগত ওভদা বিমানঘাঁটিতে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম গলফ নিউজ, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ বৈঠকের খবর নিশ্চিত করলেও ওয়াশিংটন কিংবা তেল আবিব—কোনো পক্ষই বৈঠকের সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।আট মাস ধরে চলমান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের চরম উত্তেজনার মধ্যে এই ঝটিকা ও সংবেদনশীল বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ ইসরায়েলের নেগেভ মরুভূমি অঞ্চলে অবস্থিত ওভদা বিমানঘাঁটিতে আগে থেকেই মোতায়েন রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং মাঝআকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিশেষ রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফট। আকাশপথে দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে লাগাতার বোমাবর্ষণ নিশ্চিত করতে এ ধরনের রিফুয়েলিং বিমানের উপস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রয়টার্সকে দেওয়া তিন ইসরায়েলি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, বৈঠকে মূল প্রাধান্য পেয়েছে ইরান পরিস্থিতি।ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট (Ynet) জানিয়েছে, সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিয়মিত সামরিক হেলিকপ্টারের পরিবর্তে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে নিজস্ব ব্যক্তিগত বিমানে চড়ে ওভদা ঘাঁটিতে পৌঁছান এবং বৈঠকটি বেশ দীর্ঘ সময় ধরে চলে। হেগসেথের ইসরায়েল সফরের কোনো পূর্বঘোষণা ছিল না এবং এ বিষয়ে পেন্টাগনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় হেগসেথ ওই অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত মার্কিন সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্বীকার করে তাঁদের একটি 'ঐতিহাসিক মিশনে নিয়োজিত' বলে আখ্যা দেন।সামরিক অভিযান শুরুর জল্পনাকে আরও তীব্র করেছে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর একটি প্রকাশ্য ভিডিও বার্তা। সোমবার প্রকাশিত ভিডিওতে তাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে সরাসরি কথা বলতে দেখা যায়। আসন্ন ইসরায়েলি নির্বাচনের আগে প্রকাশ্য সমর্থন জানানোর জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, “ডোনাল্ড, আমাদের একটি কাজ শেষ করতে হবে। আপনি যেমনটা বলেছেন, আমরা একসঙ্গেই তা শেষ করব।” এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছিলেন, তেহরান যদি নমনীয় না হয় তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে সামরিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করবে। একই দিনে উত্তর ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি পরিদর্শনকালে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর সক্ষমতা ও যে কোনো মুহূর্তে শত্রুর ওপর আঘাত হানার পূর্ণ প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন নেতানিয়াহু।কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির নৌ অবরোধ এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কাতার ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক মধ্যস্থতা কার্যত ব্যর্থ হওয়ার কারণেই ওয়াশিংটন ও তেল আবিব নতুন সামরিক বিকল্প খতিয়ে দেখছে।সূত্র:ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় আকারের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর জোরালো সম্ভাবনার গুঞ্জনের মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক গোপন ও অঘোষিত বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দক্ষিণ ইসরায়েলের কৌশলগত ওভদা বিমানঘাঁটিতে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম গলফ নিউজ, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ বৈঠকের খবর নিশ্চিত করলেও ওয়াশিংটন কিংবা তেল আবিব—কোনো পক্ষই বৈঠকের সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।আট মাস ধরে চলমান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের চরম উত্তেজনার মধ্যে এই ঝটিকা ও সংবেদনশীল বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ ইসরায়েলের নেগেভ মরুভূমি অঞ্চলে অবস্থিত ওভদা বিমানঘাঁটিতে আগে থেকেই মোতায়েন রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং মাঝআকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিশেষ রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফট। আকাশপথে দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে লাগাতার বোমাবর্ষণ নিশ্চিত করতে এ ধরনের রিফুয়েলিং বিমানের উপস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রয়টার্সকে দেওয়া তিন ইসরায়েলি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, বৈঠকে মূল প্রাধান্য পেয়েছে ইরান পরিস্থিতি।ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট (Ynet) জানিয়েছে, সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিয়মিত সামরিক হেলিকপ্টারের পরিবর্তে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে নিজস্ব ব্যক্তিগত বিমানে চড়ে ওভদা ঘাঁটিতে পৌঁছান এবং বৈঠকটি বেশ দীর্ঘ সময় ধরে চলে। হেগসেথের ইসরায়েল সফরের কোনো পূর্বঘোষণা ছিল না এবং এ বিষয়ে পেন্টাগনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় হেগসেথ ওই অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত মার্কিন সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্বীকার করে তাঁদের একটি 'ঐতিহাসিক মিশনে নিয়োজিত' বলে আখ্যা দেন।সামরিক অভিযান শুরুর জল্পনাকে আরও তীব্র করেছে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর একটি প্রকাশ্য ভিডিও বার্তা। সোমবার প্রকাশিত ভিডিওতে তাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে সরাসরি কথা বলতে দেখা যায়। আসন্ন ইসরায়েলি নির্বাচনের আগে প্রকাশ্য সমর্থন জানানোর জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, “ডোনাল্ড, আমাদের একটি কাজ শেষ করতে হবে। আপনি যেমনটা বলেছেন, আমরা একসঙ্গেই তা শেষ করব।” এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছিলেন, তেহরান যদি নমনীয় না হয় তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে সামরিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করবে। একই দিনে উত্তর ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি পরিদর্শনকালে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর সক্ষমতা ও যে কোনো মুহূর্তে শত্রুর ওপর আঘাত হানার পূর্ণ প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন নেতানিয়াহু।কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির নৌ অবরোধ এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কাতার ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক মধ্যস্থতা কার্যত ব্যর্থ হওয়ার কারণেই ওয়াশিংটন ও তেল আবিব নতুন সামরিক বিকল্প খতিয়ে দেখছে।সূত্র: গলফ নিউজ

‘একসঙ্গেই শেষ করব’, ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর কথোপকথনে কী ইরানে হামলার ইঙ্গিত?