ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ডিএনএ পরীক্ষায় মাদরাসা শিক্ষকই নবজাতকের জৈবিক বাবা

নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে মামলার আসামি মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর শনাক্ত হয়েছেন। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে তার সঙ্গে নবজাতকের জৈবিক সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।সোমবার (২৪ আগস্ট) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। পরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল।পিপি জানান, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরকে নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয় এবং পরীক্ষার প্রতিবেদনটি বিচারকের সামনে উপস্থাপন করা হয়। মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম আগামী ৬০ দিনের মধ্যে শেষ করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।[BANGVIEWS-POST:4411]মামলার নথি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করত ভুক্তভোগী শিশুটি। তার মা-বাবার বিচ্ছেদের পর সে নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। অন্যদিকে জীবিকার তাগিদে তার মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন।গত ১৮ এপ্রিল শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং শরীরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে তাকে মদন পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।ঘটনার পর ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে র‍্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান।[BANGVIEWS-POST:4414]রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামির ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে পরীক্ষার প্রতিবেদনে নবজাতকের সঙ্গে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের জৈবিক সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিএনএ পরীক্ষার এই প্রতিবেদন মামলার তদন্ত ও পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

ডিএনএ পরীক্ষায় মাদরাসা শিক্ষকই নবজাতকের জৈবিক বাবা