নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট দ্বিতীয় ইউনিট আগামী ১৫ আগস্ট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রোববার রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালটি পরিদর্শন করলে এর উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে সরকার কাজ করছে।[BANGVIEWS-POST:1235]তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে, যাতে চট্টগ্রাম কিংবা দেশের অন্য কোনো অঞ্চল থেকে মানুষকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসতে না হয়। গ্রামের মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য।সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নীতি নির্ধারণ করবেন, আর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো তা বাস্তবায়নে কাজ করবে। উন্নয়নের সম্ভাবনা যেখানে রয়েছে, সেখানে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী।ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত দুই মাস ধরে ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রস্তুতি চলছে। জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রতিটি জেলায় সমন্বিত কমিটি গঠন করা হয়েছে।তিনি জানান, পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং উড়ন্ত মশা নিধনেও কার্যক্রম চলছে।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো রয়েছে। রোগী ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত রাখা, মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা এবং চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত স্যালাইন সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে কোনো রোগী স্যালাইনের সংকটে না পড়েন এবং গুরুতর জটিলতা এড়ানো যায়।[BANGVIEWS-POST:1237]স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের সব মানুষ যেন সমানভাবে স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন, সে জন্য স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি।তিনি বলেন, অন্তত চারটি পুরোনো বিভাগীয় শহরে নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি করা গেলে বিভাগীয় পর্যায়ের ইনস্টিটিউটগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুজ্জামান খান খসরুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।