ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর চোখে এটি শুধু টেস্ট নয়, যেকোনো ফরম্যাট মিলিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়।ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শান্ত বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার মনে হয় এটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় জয়, যেকোনো ফরম্যাটে বাংলাদেশ ক্রিকেটের। আমরা এটা বিশ্বাস করি, এবং সামনের দিনগুলোতে আমরা আরও বিশেষ কিছু করব।’অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশকে টেস্ট জয়ে নেতৃত্ব দেওয়া প্রথম অধিনায়ক হিসেবেও ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন শান্ত। এই অর্জন নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি খুব খুশি ও নিজের প্রতি গর্বিত। ছেলেরা যেভাবে খেলেছে, তাতে সত্যিই গর্বিত। আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি এবং এই দল নিয়ে জিততে পেরে সত্যিই আনন্দিত।’[BANGVIEWS-POST:3799]বাংলাদেশের এই সাফল্যের অন্যতম বড় শক্তি ছিল পেস বোলিং বিভাগ। একসময় টেস্টে স্পিননির্ভর বাংলাদেশ এখন পেসারদের নিয়েও প্রতিপক্ষের ওপর চাপ তৈরি করতে পারছে। শান্তর মতে, গত কয়েক বছরে এই জায়গাতেই বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এসেছে।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার মনে হয় এটাই টেস্ট ফরম্যাটে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। সাধারণত পাঁচ-ছয় বছর আগে পেস বোলাররা টেস্ট ক্রিকেট খেলতে চাইত না, কারণ আমরা যথেষ্ট টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতাম না। কিন্তু গত দুই-তিন বছরে আমরা অনেক টেস্ট ম্যাচ খেলেছি এবং ছেলেরা টেস্ট ফরম্যাটে গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই এখন তারা খেলতে চায় এবং পারফর্ম করতে চায়, কারণ তারা বিশ্বমানের হতে চায়। এটাই তাদের মানসিকতা।’[BANGVIEWS-POST:3798]দলের টেস্ট সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ভূমিকাও তুলে ধরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। বিশেষ করে মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হকের অবদানের কথা উল্লেখ করেন তিনি।শান্ত বলেন, ‘বিশেষ করে সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম, মমিনুল হক—তারা টেস্ট ক্রিকেট খেলার জন্য অনেক উৎসাহ দিয়েছেন। এগুলোই তাদের ভাবনা ও মানসিকতার পেছনের কারণ।’অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাওয়া এই জয়কে সামনে রেখে ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।