২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন শুরু ২৭ জুলাই
২০২৭ সালের হজের জন্য আগামী ২৭ জুলাই থেকে প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হবে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে আগ্রহীরা ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। বুধবার, ২২ জুলাই ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহী হজযাত্রীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রাথমিক নিবন্ধন শেষ করতে হবে। প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তিরা চাইলে ঘোষিত প্যাকেজের পুরো অর্থ পরিশোধ করে একই সময়ে চূড়ান্ত নিবন্ধনও সম্পন্ন করতে পারবেন।[BANGVIEWS-POST:2319]শুধু প্রাথমিক নিবন্ধন করলে আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে হজ প্যাকেজের বাকি অর্থ জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন শেষ করতে হবে।সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে ই-হজ সিস্টেমে নিজস্ব ইউজার অ্যাকাউন্ট খুলে আবেদন করা যাবে। এ ছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, মডেল মসজিদ, বায়তুল মোকাররমের সংশ্লিষ্ট অফিস এবং আশকোনার হজ অফিস থেকেও নিবন্ধন করা যাবে।তালিকাভুক্ত হজ এজেন্সির মাধ্যমেও সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।২০২৭ সালের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলো হলো হজ প্যাকেজ-১ এবং সাশ্রয়ী হজ প্যাকেজ-২।বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সাধারণ একটি প্যাকেজের পাশাপাশি হজ এজেন্সিগুলো অতিরিক্ত আরও তিনটি প্যাকেজ দিতে পারবে। এসব প্যাকেজের বিস্তারিত তথ্য হজ পোর্টালে প্রকাশ করা হবে।প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় বৈধ প্রাক-নিবন্ধন সনদ এবং ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট থাকতে হবে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও টিকা নেওয়ার জেলা, হজের ধরন এবং পছন্দের প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে।সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনের জন্য সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় নির্ধারিত হিসাবে তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে একই পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে।আগামী বছরও ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবেন না। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং কমপক্ষে ১৫ বছর বয়সী ব্যক্তিরাই হজের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন।[BANGVIEWS-POST:2315]গুরুতর হৃদ্রোগ, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির অকার্যকারিতা, জটিল স্নায়বিক বা মানসিক রোগ, ডিমেনশিয়া, সক্রিয় ক্যানসার, যক্ষ্মা এবং হেমোরেজিক ফিভারের মতো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে যেতে পারবেন না।এ ছাড়া গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের ফিটনেস সনদ দেওয়া হবে না।নিবন্ধনের পর সরকারি হাসপাতাল অথবা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুমোদিত বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকা নেওয়ার পাশাপাশি সিভিল সার্জন বা অনুমোদিত চিকিৎসকের কাছ থেকে ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে।প্রাথমিক নিবন্ধনের আগে ৩০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। হজসংক্রান্ত তথ্য জানতে ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।