ঢাকা    মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলেকে ধরল এলাকাবাসী

কুমিল্লার দেবিদ্বারে দা দিয়ে মা ও আট মাস বয়সী ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন অভিযুক্তের বড় ভাবি রাবেয়া বেগম। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন ওই গ্রামের মৃত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী পেয়ার বেগম (৬২) এবং তার আট মাস বয়সী নাতনি। শিশুটি অভিযুক্তের ভাতিজি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটির নাম জানা যায়নি। অভিযুক্ত যুবকের নাম ইমন (২৪)।স্থানীয় বাসিন্দা মো. শামীম আহসান জানান, সকালে ওই বাড়ি থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা সেখানে ছুটে যান। পরে তারা ঘরের মেঝেতে পেয়ার বেগমের এবং খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় আট মাস বয়সী শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।এ সময় স্থানীয় লোকজন ধাওয়া দিয়ে ইমনকে আটক করেন। পরে তাকে ঘরের ভেতরে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। তবে কী কারণে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি স্থানীয়রা।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত তরুণ ইমনকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।ওসি জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইমন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তবে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।তিনি আরও জানান, জোড়া হত্যার কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতিও চলছে।

কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলেকে ধরল এলাকাবাসী