আট দিনের বন্ধের কবলে বেনাপোলের আমদানি-রপ্তানি
শারদীয় দুর্গাপূজা এবং সাপ্তাহিক ছুটি উপলক্ষে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য টানা আট দিন বন্ধ থাকবে।ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের সীমান্ত পণ্য পরিবহন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বন্দর ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বেনাপোল বন্দরের ভেতরে অভ্যন্তরীণ পণ্য খালাস, ওঠানো-নামানো এবং শুল্কায়ন প্রক্রিয়া চালু থাকবে। আগামী ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য পুনরায় স্বাভাবিক হবে।বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে বাংলাদেশে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। উভয় দেশের ছুটির সমন্বয়ে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা আট দিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।একই তথ্য নিশ্চিত করে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ক্লিয়ারিং এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী উল্লেখ করেন, ভারতীয় কাস্টমস ও বন্দরের ছুটি ২১ অক্টোবর শেষ হলেও বাংলাদেশে ছুটি চলায় বাণিজ্যিক বিরতি দীর্ঘায়িত হচ্ছে এবং ২৫ অক্টোবর সকাল থেকেই আবার পুরোদমে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল শুরু হবে।এদিকে বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নিরবচ্ছিন্ন থাকবে। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকলেও আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাভাবিক নিয়মেই যাতায়াত করতে পারবেন। পূজার ছুটিতে পর্যটক ও সাধারণ যাত্রীদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে ইমিগ্রেশন ডেস্কে কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়ানোসহ যাবতীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন জানান, সীমান্ত বাণিজ্য স্থগিত থাকার দিনগুলোতেও যাতে জট তৈরি না হয়, সেজন্য ১৮ ও ১৯ অক্টোবর স্থানীয়ভাবে পণ্য খালাস কার্যক্রম চলবে। এ সময় পণ্য নামিয়ে ভারতীয় খালি ট্রাকগুলো নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবে।