যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পরও দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার করেছে ইসরাইল। একই সঙ্গে দেশটির ভূখণ্ড থেকে সেনা প্রত্যাহারে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তেল আবিব।শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননের কাফর দাজ্জাল গ্রামে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় দুজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আল-খিয়াম শহর ও আল-কানতারা গ্রামে বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। [BANGVIEWS-POST:1545]লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএর বরাতে প্রেস টিভি জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী বৃহস্পতিবার বিনত জবেইল জেলার হাদাথা শহরে বেশ কয়েকটি বাড়ি বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয়। হুলা, খিয়াম ও তাইবেহ শহরেও বাড়িঘর ও অবকাঠামো ধ্বংসের ঘটনা ঘটেছে।খিয়াম শহরে অন্তত পাঁচটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। একই সময় দেইর সিরিয়ান এলাকার উপকণ্ঠে কামানের গোলাবর্ষণ করা হয়।এদিকে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেছেন, লেবাননে প্রবেশের জন্য তারা কারও অনুমতি নেয়নি এবং সেখানে অবস্থানের জন্যও কারও অনুমতি প্রয়োজন নেই। হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলি বাহিনী লেবাননের কথিত নিরাপত্তা অঞ্চলে অবস্থান করবে বলেও জানান তিনি।এর এক দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারে ইসরাইল সম্মত হয়েছে। তবে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বক্তব্য ট্রাম্পের দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।গত ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন সরকার ও ইসরাইলের মধ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতা সই হয়। তবে লেবাননের পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরি, হিজবুল্লাহ ও আমাল মুভমেন্ট ওই সমঝোতার কয়েকটি ধারা প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, ইসরাইলকে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।[BANGVIEWS-POST:1544]প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে লেবাননের অন্তত ছয় শতাংশ ভূখণ্ড ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গত ২ মার্চ থেকে দেশটিতে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৪ হাজার ৩০৩ জন নিহত এবং ১২ হাজার ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে লেবাননের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ। এসব সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
সূত্র: প্রেস টিভি