ছয় দফা দাবিতে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ করবে ১১ দলীয় জোট
ছয় দফা দাবি সামনে রেখে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-সার সংকট সমাধান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছে জোটটি।সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা এ কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন।সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ জোটের বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যেই ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচি সফল করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।[BANGVIEWS-POST:4887]তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জনদুর্ভোগ, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সার সংকট সমাধানে প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারেনি। একই সঙ্গে বিরোধী দলের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।জোটের নেতারা আশা প্রকাশ করেন, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সরকার কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। তারা বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে লংমার্চ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।তারা আরও বলেন, কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা কোনো ধরনের হামলার চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে।১১ দলের নেতাদের দাবি, জনগণের অধিকার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতেই এই লংমার্চ আয়োজন করা হচ্ছে। তারা জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম যানজট তৈরি বা কোনো উপায়ে কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হলে তা মোকাবিলা করা হবে।[BANGVIEWS-POST:4886]ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরু হবে। পথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহিপাল এবং চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় পথসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে।চট্টগ্রামে পৌঁছে লংমার্চের শেষ কর্মসূচি লালদিঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা। স্থানীয় পর্যায়ে পথসভা ও অন্যান্য কর্মসূচি পরিচালনায় জোটের স্থানীয় নেতারা দায়িত্ব পালন করবেন।