বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য: ডা. শফিকুর
বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও দুঃশাসনমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণই জামায়াতে ইসলামীর মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দেশে একটি কার্যকর মানবিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত রাজপথে তাঁদের এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্র ঘোষিত ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচি চলাকালে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গোলচত্বরে আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশ একটি মানবিক দেশ না হবে, শোষণ-বঞ্চনা ও দুঃশাসনমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই ধারাবাহিক লড়াই চলবে। দেশের অধিকারহারা মানুষের মুক্তির এই ঐতিহাসিক লড়াইয়ে আমরা সমগ্র দেশবাসীকে পাশে চাই।”পথসভায় বিশেষ বক্তার বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, দেশের আপামর জনগণের ন্যায্য গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তাঁরা সাত দফা দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছেন। তিনি সরকারের প্রতি ইঙ্গিত করে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “দেশের প্রয়োজনে এবং জনতার বৃহত্তর স্বার্থে যেকোনো মুহূর্তে এই সাত দফা দাবি এক দফায় পরিণত হতে পারে। সেই চূড়ান্ত এক দফার বৃহত্তর আন্দোলনের জন্যও প্রস্তুত থাকতে হবে।”গণভোটের রায় অবিলম্বে কার্যকর করা, জুলাই সনদের বাস্তবায়নসহ সাত দফা জাতীয় দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১১ দলীয় জোটের এই পূর্বঘোষিত লংমার্চটি সকালে ঢাকা থেকে শুরু হয়ে খুলনা ও কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। লংমার্চের গাড়ি বহরটি ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পৌঁছালে জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ জোটের বিভিন্ন শরিক দলের স্থানীয় হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক স্লোগানে স্লোগানে তাঁদের স্বাগত জানান।পথসভায় জোটের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন এবং কর্মসূচি সফল করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেন।