ঢাকা    শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণেই আল্লাহর সন্তুষ্টি: শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানুষের জীবনের প্রতিটি পর্যায়েই অনুসরণীয় আদর্শ। শিশু, কিশোর, যুবক কিংবা বৃদ্ধ—সবার জন্যই রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করার সুযোগ রয়েছে।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘রোড টু সিরাহ’ জাতীয় সিরাত পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ একটিই—মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দেখানো পথ অনুসরণ করা। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর আদর্শ ও নির্দেশনা মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।মহানবী (সা.)-এর শৈশবের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই তাঁর চরিত্রে ন্যায়বোধ, দায়িত্বশীলতা ও সুন্দর আচরণের প্রকাশ ঘটেছিল। দুধ ভাইয়ের অধিকার রক্ষা থেকে শুরু করে অন্যের প্রতি সদাচরণ—শৈশবেও তিনি উত্তম চরিত্রের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।কিশোর বয়সের উদাহরণ দিতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, তরুণদের জন্যও মহানবী (সা.) অনন্য অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। কাবা শরিফ পুনর্নির্মাণের সময় হাজরে আসওয়াদ স্থাপনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল, তা বিচক্ষণতা ও ন্যায়সংগত সমাধানের মাধ্যমে তিনি নিরসন করেছিলেন।তিনি আরও বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ছিল নানা প্রতিকূলতায় পরিপূর্ণ। জন্মের আগেই তিনি পিতাকে হারান। ছয় বছর বয়সে মায়ের এবং আট বছর বয়সে দাদার মৃত্যু হয়। জীবনে একের পর এক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েও তিনি মানবতার জন্য অনুকরণীয় চরিত্র ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেছেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একজন ব্যবসায়ী, চিন্তাবিদ, দার্শনিক, সমন্বয়ক কিংবা বিচারক—জীবনের যে ক্ষেত্রেই আদর্শ খোঁজা হোক না কেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন থেকে তার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়।হেদায়েতের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, হেদায়েত অর্থ সঠিক পথের সন্ধান পাওয়া। আল্লাহর কাছে হেদায়েত কামনা করা মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার জন্য প্রত্যেকেরই আল্লাহর কাছে দোয়া করা উচিত।

মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণেই আল্লাহর সন্তুষ্টি: শফিকুর রহমান