ইয়েনের দরপতন ঠেকাতে বাজারে নামল যুক্তরাষ্ট্র
জাপানি মুদ্রা ইয়েনের রেকর্ড দরপতন ঠেকাতে এক দশকেরও বেশি সময় পর বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন সরাসরি ইয়েন কিনে জাপানের সঙ্গে যৌথভাবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ উদ্যোগকে জাপানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বের বার্তা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ইয়েনের মান দ্রুত কমছিল এবং জাপান সহায়তা চাওয়ার পর ওয়াশিংটন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মূল্য প্রায় ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ার পর বাজারে এই বিরল হস্তক্ষেপ করা হয়।[BANGVIEWS-POST:3016]ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের পক্ষে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক ইউরো বিক্রি করে ইয়েন কিনেছে।মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, অস্বাভাবিক ও বিশৃঙ্খল মুদ্রা ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান সমন্বিতভাবে বাজারে হস্তক্ষেপ করেছে। প্রয়োজন দেখা দিলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয়ও যৌথ হস্তক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মুদ্রাবাজারে অতিরিক্ত অস্থিরতা ও একমুখী দরপতন বন্ধ করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।টোকিও বলেছে, মুদ্রাবাজারের পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আবারও যৌথভাবে বাজারে হস্তক্ষেপ করতে তারা প্রস্তুত।[BANGVIEWS-POST:3014]ট্রাম্পের মতে, ইয়েনের স্থিতিশীলতা শুধু জাপানের জন্য নয়, বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক হবে। এই লেনদেন থেকে যুক্তরাষ্ট্র আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে ২০১১ সালে জাপানে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ইয়েনের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে জি-৭ দেশগুলো এবং ব্যাংক অব জাপান যৌথভাবে বাজারে হস্তক্ষেপ করেছিল। তবে তখন ইয়েন কেনার পরিবর্তে মুদ্রাটির অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে ইয়েন বিক্রি করা হয়েছিল।সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি