ঢাকা    সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

জাতিসংঘে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা বাংলাদেশের

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করেছে।বুধবার (৫ আগস্ট) দিবসটি উপলক্ষে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে একটি স্মারক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এতে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধি, কূটনীতিক, জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।[BANGVIEWS-POST:3223]তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার ঐতিহাসিক প্রকাশ ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান।রাষ্ট্রদূত বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতির দৃঢ় অঙ্গীকার ও ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের প্রতীক।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের ‘থ্রি আর’ কৌশল—রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন—এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।তিনি বলেন, এই কৌশলের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা।[BANGVIEWS-POST:3222]একই সঙ্গে তিনি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও মূলনীতির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে আন্দোলনের পটভূমি, তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

জাতিসংঘে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা বাংলাদেশের