৬৪ জেলায় খাদ্য পরীক্ষাগার: জাইকার কারিগরি সহায়তা চায় সরকার
খাদ্যের গুণগত মান পরীক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে দেশের ৬৪ জেলাতেই আধুনিক পরীক্ষাগার (ল্যাবরেটরি) স্থাপনে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চেয়েছেন জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন উপদেষ্টার কার্যালয়ে জাইকা বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকোর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান। বৈঠকে খাদ্য নিরাপত্তা প্রশাসন শক্তিশালীকরণে জাইকার পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট নীতিগত সুপারিশমালা উপস্থাপন করা হয়।সাক্ষাৎকালে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিজ ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী খাদ্য নিরাপত্তা বিধিমালার যথাযথ বাস্তবায়ন অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী দেশব্যাপী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং ভেজাল ও নকল খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, বিপণন ও সরবরাহ বন্ধে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও বিএসটিআইয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি, জনবল নিয়োগ এবং মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।জাইকা বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো জানান, বাংলাদেশে খাদ্য মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সংস্থাটির উদ্যোগে ইতোমধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে তিনটি অত্যাধুনিক আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হচ্ছে।একই সঙ্গে তিনি খাদ্য নিরাপত্তা বিধিমালার আধুনিকায়ন ও সব খাদ্য ব্যবসায়ীর জন্য একটি সমন্বিত একক লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করেন। জাইকার পক্ষ থেকে জেলা পর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা পরিদর্শকের সংখ্যা বাড়ানো, ঝুঁকিনির্ভর বিজ্ঞানভিত্তিক তদারকি নিশ্চিত করা এবং পরিদর্শকদের উন্নত কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদানে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়।