ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

র্ডান সীমান্তে ড্রোন, ভেতরে ১০ আগ্নেয়াস্ত্র—ইসরায়েলের নস্যাৎ করার দাবি

জর্ডান সীমান্ত দিয়ে ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের চেষ্টা নস্যাৎ করার দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। রাতভর পরিচালিত অভিযানে অস্ত্রসহ ড্রোনটি জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।আইডিএফের দাবি, নজরদারি ক্যামেরা এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করা ড্রোনটি শনাক্ত করা হয়। পরে দক্ষিণাঞ্চলীয় জর্ডান সীমান্তের দায়িত্বে থাকা ইয়োয়াভ আঞ্চলিক ব্রিগেডের সেনাদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।সেনারা সেখানে ড্রোনটি খুঁজে পায়। আইডিএফ জানিয়েছে, ড্রোনটিতে নয়টি কালাশনিকভ অ্যাসল্ট রাইফেল, এসব অস্ত্রের ম্যাগাজিন এবং একটি পিস্তল ছিল। জব্দ করা অস্ত্র ও ড্রোন পরবর্তী তদন্তের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আরও জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জর্ডান ও মিসর সীমান্ত দিয়ে ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলে অস্ত্র এবং কখনো মাদক পাচারের চেষ্টা হয়েছে।এদিকে দক্ষিণ লেবাননের মানসৌরি শহরে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ধ্বংসে বড় ধরনের অভিযান শেষ করার দাবিও করেছে আইডিএফ।মানসৌরি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত দক্ষিণ লেবাননের বাফার জোনের মধ্যে অবস্থিত। আইডিএফের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ৫৫তম রিজার্ভ প্যারাট্রুপার্স ব্রিগেড এবং অভিজাত ইয়াহালোম কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিটের সদস্যরা মানসৌরিতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ অভিযানে হিজবুল্লাহর ৬০০টির বেশি অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ। এসব স্থাপনার মধ্যে আটটি সুড়ঙ্গও ছিল বলে জানিয়েছে তারা।আইডিএফ আরও দাবি করেছে, নিরাপত্তা অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে হিজবুল্লাহর ফেলে যাওয়া কয়েক ডজন রকেট লঞ্চারও সেনারা মানসৌরিতে খুঁজে পেয়েছে।ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মানসৌরিতে পরিচালিত এই ‘ব্রিগেড পর্যায়ের অভিযান’-এর লক্ষ্য ছিল নিরাপত্তা অঞ্চলে হিজবুল্লাহকে পুনরায় সংগঠিত হতে না দেওয়া।তবে অস্ত্র পাচারের চেষ্টা, ড্রোনের ব্যবহার এবং মানসৌরিতে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ধ্বংসের বিষয়ে প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্যগুলো মূলত ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবির ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হয়েছে।

র্ডান সীমান্তে ড্রোন, ভেতরে ১০ আগ্নেয়াস্ত্র—ইসরায়েলের নস্যাৎ করার দাবি