প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে চট্টগ্রামে নির্মিত হলো পদ্মফুল গোলচত্বর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরকে কেন্দ্র করে বন্দরনগরীর সামগ্রিক সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে ঐতিহাসিক নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দিরের সামনের সড়কে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ও আলোকসজ্জিত গোলচত্বর। পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা, আধুনিক স্থাপত্যশৈলী এবং বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজানো এই গোলচত্বরটি নগরীর পথচারী ও দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির এক অনন্য প্রতীক হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন চত্বর সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।বৌদ্ধ দর্শনের মূল বাণী—মৈত্রী, করুণা, অহিংসা ও শান্তির শাশ্বত আদর্শের প্রতীক হিসেবে পদ্মফুলকে এই চত্বরের নকশায় বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রাতের বেলা বিশেষ লাইটিং ও বর্ণিল আলোকসজ্জার কারণে পুরো চত্বর এলাকা এক মোহনীয় ও মনোরম রূপ ধারণ করে। স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগ কেবল নগরীর দৃশ্যমান সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করেনি, বরং চট্টগ্রামের আবহমান ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ঐতিহ্যকেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরেছে।এই চত্বরটি নির্মাণের পেছনে ছিল দীর্ঘদিনের এক আন্তরিক প্রত্যাশা। সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন এবং সাধারণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বহুদিনের দাবি ছিল বিহারের সামনের উন্মুক্ত সড়কটিতে একটি নান্দনিক পদ্মফুল চত্বর স্থাপন করা। অবশেষে চসিকের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হওয়ায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শুধু নন্দনকাননই নয়, বন্দরনগরীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গোলচত্বরগুলোকেও একইভাবে নান্দনিক রঙ ও আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে।