ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

পুলিশি সেবায় গড়িমসি ও হয়রানি বরদাশত করা হবে না: সিএমপি কমিশনার

পুলিশি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে কোনো ধরনের হয়রানি বা অযথা ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না বলে সতর্ক করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে শুনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘ওপেন হাউস ডে’ অনুষ্ঠানে এসব নির্দেশনা দেন সিএমপি কমিশনার।হাসান মো. শওকত আলী বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে সহজে পুলিশের সেবা পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব।সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গড়িমসি, হয়রানি কিংবা অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি গ্রহণযোগ্য হবে না বলে জানান তিনি।পুলিশের কাছে সহায়তা চাইতে আসা ব্যক্তিদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তাঁদের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন কমিশনার।তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, নগরবাসীর অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্ব করা যাবে না।পূর্বঘোষিত ‘ওপেন হাউস ডে’ কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সেবাপ্রত্যাশীরা অংশ নেন।তাঁরা পুলিশ কমিশনারের কাছে নিজেদের নানা অভিযোগ, সমস্যা ও ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন।কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী প্রত্যেকের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন। পরে অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন।অনুষ্ঠানে পুলিশের সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অসুবিধাগুলো সমাধানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।সিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশি সেবা পেতে গিয়ে নগরবাসী যেন নতুন করে কোনো সমস্যার মুখে না পড়েন, সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে হবে।তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী, সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।নাগরিকদের হয়রানি ও ভোগান্তি থেকে মুক্ত রেখে সহজে পুলিশি সেবা দেওয়াই এই নির্দেশনার মূল লক্ষ্য।ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।এ ছাড়া উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম এবং উপপুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) নেছার উদ্দিন আহম্মেদসহ সিএমপির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশি সেবায় গড়িমসি ও হয়রানি বরদাশত করা হবে না: সিএমপি কমিশনার