ঢাকা    সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে ডুবে প্রাণ গেল ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর

উন্নত জীবনের আশায় বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে তুরস্ক থেকে গ্রিসে প্রবেশের চেষ্টাকালে পুলিশের টহল জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষ ও পৃথক নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ১২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একটি নিষ্পাপ শিশু এবং চারজন নারী রয়েছেন।সোমবার (১৯ অক্টোবর) গ্রিসের উপকূলরক্ষী বাহিনী (কোস্টগার্ড) ও সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।গ্রিক কোস্টগার্ড জানায়, প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে দেশটির লেসবস দ্বীপের অদূরে এজিয়ান সাগরের জলসীমায়। সেখানে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকার সঙ্গে গ্রিক পুলিশের একটি নিয়মিত টহল জাহাজের সংঘর্ষ ঘটে। এতে নৌকাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়, যাদের মধ্যে রয়েছে এক শিশু ও চার নারী। প্রায় একই সময়ে দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে সামোস দ্বীপের কাছাকাছি সমুদ্র এলাকায়। সেখানে অতিরিক্ত বোঝাইয়ের কারণে একটি ছোট নৌকা হঠাৎ ডুবে যায়। এতেও সাগরে তলিয়ে গিয়ে আরও ছয়জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়।দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় মোট ১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও নৌকাগুলোতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন এবং দুর্ঘটনার পর আরও কেউ নিখোঁজ রয়েছেন কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রকাশ করেনি গ্রিক কর্তৃপক্ষ। নিখোঁজদের সন্ধানে ওই এলাকায় তল্লাশি ও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।উল্লেখ্য, যুদ্ধ ও দারিদ্র্যপীড়িত বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপে রাজনৈতিক আশ্রয় ও উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে প্রতি বছর হাজার হাজার অভিবাসী তুরস্ক হয়ে সমুদ্রপথে গ্রিসের বিভিন্ন দ্বীপে প্রবেশের ঝুঁকিপূর্ণ চেষ্টা চালান। তুরস্ক ও গ্রিসের মধ্যবর্তী এজিয়ান সাগরের এই বিপজ্জনক রুটটিতে মানবপাচারকারীদের দুর্বল ও ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত নৌযানের কারণে প্রায়শই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে ডুবে প্রাণ গেল ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর