বিশ্বকাপ জিতে ৬৮ কেজি টমেটো পেলেন গাভি-রুইজ
বিশ্বকাপ জয়ের পর নগদ অর্থ, গাড়ি কিংবা মূল্যবান উপহারের পরিবর্তে অভিনব সম্মাননা পেয়েছেন স্পেনের দুই ফুটবলার ফাবিয়ান রুইজ ও পাবলো পায়েজ গাভিরা ‘গাভি’। নিজ শহর লস পালাসিওস ই ভিলাফ্রাঙ্কার কর্তৃপক্ষ তাদের প্রত্যেককে শরীরের ওজনের সমপরিমাণ স্থানীয় টমেটো উপহার দিয়েছে।১৬ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতার পর স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বিজয়ী দলের সংবর্ধনা ও প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। সেই উদ্যাপন শেষে নিজ শহরে ফেরেন গাভি ও রুইজ। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা ও নগর কর্তৃপক্ষ তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়।লস পালাসিওসের বিশেষ কৃষিপণ্য ‘বোম্বন কোলোরাও’ জাতের টমেটো দিয়ে দুই তারকাকে সম্মানিত করা হয়। গাভি ও রুইজের ওজন ৬৮ কেজি করে হওয়ায় তারা প্রত্যেকে ৬৮ কেজি টমেটো পেয়েছেন। সব মিলিয়ে তাদের দেওয়া হয়েছে প্রায় ১৩৬ কেজি টমেটো।শহরটিতে বিশ্বকাপজয়ীদের ওজনের সমান টমেটো উপহার দেওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০১০ সালে স্পেন প্রথম বিশ্বকাপ জেতার পর একই এলাকার সন্তান জেসুস নাভাসকেও এভাবে সম্মান জানানো হয়েছিল।[BANGVIEWS-POST:2280]লস পালাসিওস সিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, শহরের দুটি ফুটবল মাঠের নাম পরিবর্তন করে গাভি ও ফাবিয়ান রুইজের নামে রাখা হবে। মারিসমাস ফুটবল মাঠের নতুন নাম হবে ফাবিয়ান রুইজ পেনা এবং সান সেবাস্তিয়ান মাঠের নাম রাখা হবে পাবলো পায়েজ গাভিরা ‘গাভি’।স্থানীয় ক্লাব এডি মসকুইয়ো, লা লিয়ারা বালোম্পি ও লস পালাসিওস সিএফ এসব মাঠ নিজেদের হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করে। এর আগে শহরের একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সের নাম বিশ্বকাপজয়ী জেসুস নাভাসের নামে রাখা হয়েছিল।সম্মাননা অনুষ্ঠানে গাভি ও রুইজকে একটি স্মৃতিস্তম্ভের মডেলও উপহার দেওয়া হয়। শহরের হুয়ান হোসে ভাকুয়েরো অ্যাভিনিউতে নির্মিতব্য ওই স্মৃতিস্তম্ভে গাভি, রুইজ ও জেসুস নাভাসকে একসঙ্গে সম্মান জানানো হবে।লস পালাসিওস কর্তৃপক্ষের মতে, ছোট একটি শহর থেকে তিনজন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারের উঠে আসা তাদের জন্য অসাধারণ গর্বের বিষয়। স্থানীয় ফুটবল একাডেমি, প্রশিক্ষক এবং তৃণমূল ক্লাবগুলোর অবদান স্মরণ করতেই স্থায়ী এসব সম্মাননার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।