মানহীন খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে তিন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা
মানহীন খাদ্য পণ্য উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগে দুই বিদেশি প্রতিষ্ঠানসহ তিন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করা হয়েছে।ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্যানিটেশন কর্মকর্তা ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোহাং কামরুল হাসান ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত-২ এ মামলাগুলো দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মাহমুদুল হক মামলাগুলো আমলে নিয়েছেন।অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেড, আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেড এবং রাজধানীর বনশ্রীর কাচ্চি সুলতান।মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-২-এর আওতাধীন বাসাবো থানার ওহাব কলোনীর রাহাত স্টোর থেকে ৩০ জুন ভেজাল ও অনিরাপদ সন্দেহে কয়েকটি খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।সংগ্রহ করা নমুনার মধ্যে ছিল ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড এবং ইস্ট কেক পুর পিঠা। এছাড়া আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড এবং কাচ্চি সুলতানের নাম-ঠিকানাবিহীন বোরহানির নমুনাও সংগ্রহ করা হয়।[BANGVIEWS-POST:1487]ওই দিনই নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। পরে ২ জুলাই ল্যাব কর্তৃপক্ষ খাদ্যপণ্যগুলো মানসম্পন্ন নয় বলে সনদ দেয়।পরবর্তীতে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে ৬ জুলাই মামলা করা হয়। ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের মালিক বিদেশি নাগরিক ইউ জিবাইয়ের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে।আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের মালিক বিদেশি নাগরিক শেন ঝিহাও এবং মানহীন বোরহানি বিক্রির অভিযোগে কাচ্চি সুলতানের মালিক আল ইমরানের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।আদালত মামলাগুলো আমলে নিয়ে প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভযুক্ত খাদ্যপণ্যগুলো সাত দিনের মধ্যে বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিকদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।