ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে চাল বিতরণ শুরু

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় গত ১ আগস্ট থেকে সারা দেশে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির অধীনে ৫৫ লাখ কার্ডধারী উপকারভোগী প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন। প্রতি কেজি চালের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ টাকা।খাদ্য মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বছরে ছয় মাস এই চাল বিতরণ করা হবে। আগস্ট থেকে নভেম্বর এবং মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সুবিধাভোগীরা নির্ধারিত দামে চাল কিনতে পারবেন।দেশের ৪৯৫টি উপজেলার ৫৫ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষ এই কর্মসূচির আওতায় রয়েছেন। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কর্মাভাবের সময়ে দরিদ্র মানুষের সহায়তা দেওয়া এবং নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখাই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।[BANGVIEWS-POST:3021]খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি কমানো এবং বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পুষ্টিমান উন্নয়নেও এই কর্মসূচি ভূমিকা রাখছে।বর্তমানে ২৪৮টি উপজেলায় ২৫ লাখ ২৯ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে পুষ্টিচাল বা ফর্টিফায়েড রাইস বিতরণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে ২৪৭টি উপজেলায় ২৯ লাখ ৭১ হাজার উপকারভোগী সাধারণ চাল পাচ্ছেন।খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির পাশাপাশি সারা দেশে খোলাবাজারে বিক্রি বা ওএমএস কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। মোট ১ হাজার ১০৮টি দোকান ও ট্রাকের মাধ্যমে নিয়মিত চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে।খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে খাদ্যশস্যের মজুত বর্তমানে সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন সরকারি খাদ্য মজুত বেশি এবং নতুন করে খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমও অব্যাহত আছে।গত ২ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি গুদামে মোট খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন। এর মধ্যে চাল ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন এবং গম ২ লাখ ৮০ হাজার ১০ মেট্রিক টন।[BANGVIEWS-POST:3023]এ ছাড়া ধানকে চালে রূপান্তর করে হিসাব করলে মজুতের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন।খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার, অপুষ্টি হ্রাস এবং সামাজিক সুরক্ষার কর্মসূচিগুলো আরও কার্যকর ও বিস্তৃত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে চাল বিতরণ শুরু