কুয়েতে মার্কিন রাডার ধ্বংসের দাবি ইরানের আইআরজিসির
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ঘোষণা দিয়েছে যে তারা কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটির একটি সামরিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। একইসঙ্গে কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে মার্কিন সেনাদের লজিস্টিকস সাপ্লাই পয়েন্টেও হামলা চালানো হয়েছে।শনিবার (১৮ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের স্থল বাহিনী ক্যাম্প আরিফজানে মার্কিন সেনাবাহিনীর রসদ সরবরাহকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে কয়েকজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এই দাবির স্বাধীন কোন নিশ্চিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।[BANGVIEWS-POST:2065]বাহিনীটি আরও জানিয়েছে, ড্রোন হামলার মাধ্যমে আলি আল সালেম বিমানঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা, একটি অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার এবং ড্রোন সংরক্ষণস্থলেও আঘাত হেনেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রম ‘অপারেশন নাসর-২’-এর অংশ।আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের নৌবাহিনীও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে কুয়েতের আল আহমাদি বন্দরের একটি নৌজাহাজ জ্বালানি সরবরাহ ঘাটি, বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটির মার্কিন সামরিক স্থাপনাসহ একটি গোয়েন্দা তথ্যকেন্দ্র এবং কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের সংকেত ও যোগাযোগকেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।আরমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত থাকলে আরও শক্তভাবে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হবে।[BANGVIEWS-POST:2062]এদিকে, ইরানের সেনাবাহিনী আলাদা বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা ভারত মহাসাগরে একটি মার্কিন নৌযানকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছে।আইআরজিসি ও ইরান সরকার দাবি করেছে যে, গত ৭ এপ্রিল ট্রাম্পের একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সীমানায় একাধিক হামলা চালিয়েছে, যা উদ্বেগজনক এবং অঞ্চলে সংঘর্ষ গভীর করার মতো। এছাড়া পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা সত্ত্বেও সামরিক আগ্রাসন বন্ধ হয়নি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।