ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মিসরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সং'ঘর্ষে ১৩ পর্যটক নি'হত

মিসরের রাজধানী কায়রোর পশ্চিমে একটি বড় ট্রাকের সঙ্গে পর্যটকবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত এবং আরও ৩৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতদের মধ্যে দেশি এবং বিদেশি উভয় ধরনের পর্যটক রয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কায়রো-আসিয়ুত পশ্চিম মরুভূমি মহাসড়কে মর্মান্তিক এই সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত দৈনিক আল-আহরাম ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে নিশ্চিত করেছে আরব নিউজ।আল-আহরামের প্রতিবেদনে বলা হয়, কায়রো-আসিয়ুত পশ্চিম মরুভূমি মহাসড়কে তীব্র গতিতে থাকা একটি বড় ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে এই সংঘর্ষ ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকর্মীদের বরাত দিয়ে এএফপির এক সংবাদদাতা জানান, সংঘর্ষের অভিঘাত এতটাই প্রচণ্ড ছিল যে পর্যটকবাহী বড় বাসটির সামনের পুরো অংশটি মূল কাঠামো থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি থেকে যাত্রীদের বসার আসনগুলো মহাসড়কের পাশে ইতস্তত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে এবং ট্রাকটির পেছনের অংশে বাসের দুমড়েমুচড়ে যাওয়া অংশ আটকে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তীতে বিশালাকার ক্রেনের সাহায্যে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন ও ধ্বংসাবশেষ মহাসড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।দুর্ঘটনায় আহত ৩৪ জনকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে মিসরের গিজা শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। মিসরীয় কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে।উত্তর আফ্রিকার দেশ মিসরে প্রায়ই এমন মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া গাড়ি চালানো, মহাসড়কে যানবাহনের দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রাফিক আইন প্রয়োগে শিথিলতাকে এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দেশটির কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কেবল গত বছরেই মিসরে সড়ক দুর্ঘটনায় দেশজুড়ে প্রায় ৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে সিনাই অঞ্চলে এক বাস দুর্ঘটনায় ১০ জন জর্ডানি পর্যটকসহ মোট ২২ জন প্রাণ হারান এবং আগস্ট মাসে উত্তরাঞ্চলে দুটি পিকআপ ট্রাকের সংঘর্ষে শিশুসহ ১৮ জন নিহত হয়েছিলেন।সূত্র: আরব নিউজ 

মিসরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সং'ঘর্ষে ১৩ পর্যটক নি'হত