অগ্নিনিরাপত্তার নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে কলকাতার ১৩টি হোটেল বন্ধ করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। একই সঙ্গে ১৬টি হোটেল খালি করার নির্দেশ এবং কলকাতার ৫০টির বেশি হোটেলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার আরও ২৯টি হোটেলকেও নোটিশ দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিট, মার্কুইস স্ট্রিট ও এসএন ব্যানার্জি রোডের বিভিন্ন হোটেলে এই অভিযান চালানো হয়। কলকাতার শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জন নিহত হওয়ার তিন দিন পর কর্তৃপক্ষ এই অভিযান শুরু করে। ওই অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৮০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল। হোটেলটির ইজারাদার ও মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। [BANGVIEWS-POST:4282]কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযানে কিছু হোটেল বৈধ অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আবার কয়েকটির লাইসেন্স চার-পাঁচ বছর আগে মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও নবায়ন করা হয়নি। পর্যাপ্ত জরুরি বহির্গমন পথ না থাকা, জরুরি গেট তালাবদ্ধ রাখা, অনুমোদনের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার, কক্ষে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা না থাকা এবং ভবনের নকশা পরিবর্তনের মতো অনিয়মও পাওয়া গেছে। একই সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গের তারাপীঠের একটি হোটেলে আগুনে দুই শিশুসহ ৯ জন নিহত হন। ওই ঘটনার পর সেখানকার ১৫টি হোটেল বন্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। [BANGVIEWS-POST:4279]শিখা ইন হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের ছয়জনের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর কথা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মরদেহ বেনাপোল এবং একটি ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে নেওয়ার কথা। নিহত রেবতী সরকারকে শুক্রবার রাতে কলকাতায় দাহ করা হয়েছে বলে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস