ঢাকা    রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর নিয়ন্ত্রণ প্রশ্নে ইসরাইল-ফিলিস্তিন বিরোধ তীব্রতর

অধিকৃত পশ্চিম তীরের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদারে ইসরাইলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফিলিস্তিনিরা। তাদের অভিযোগ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের আড়ালে এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে পশ্চিম তীরে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে।[BANGVIEWS-POST:613]রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পশ্চিম তীরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনার প্রশাসনিক ও উন্নয়নসংক্রান্ত ক্ষমতা নিজেদের হাতে নিচ্ছে ইসরাইল। এর মধ্যে হেবরনের ইব্রাহিমি মসজিদ ও সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক এলাকার পরিকল্পনা ও নির্মাণ-সংক্রান্ত কর্তৃত্ব ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপ বিশেষভাবে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ফিলিস্তিনি নেতারা বলছেন, এসব উদ্যোগ আন্তর্জাতিক আইন ও পূর্ববর্তী চুক্তির পরিপন্থী। তাদের মতে, পশ্চিম তীরের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলো ফিলিস্তিনি জাতীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এসব স্থানের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরও দুর্বল করা হচ্ছে। অন্যদিকে ইসরাইলের দাবি, এসব এলাকা ইহুদি জাতির ইতিহাস ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণ এবং পর্যটন উন্নয়নের স্বার্থেই বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জাতিসংঘসহ অধিকাংশ দেশ এসব বসতিকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে মনে করলেও ইসরাইল সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। [BANGVIEWS-POST:611]বিশ্লেষকদের মতে, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলোকে কেন্দ্র করে নতুন এই বিরোধ পশ্চিম তীরে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। একই সঙ্গে এটি ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়াকেও নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। সূত্র: রয়টার্স

ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর নিয়ন্ত্রণ প্রশ্নে ইসরাইল-ফিলিস্তিন বিরোধ তীব্রতর