অফিসে ছিলেন না, তবুও হাজিরা! দুই এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এলো বড় সিদ্ধান্ত
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের দুই সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকা এবং আগাম হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসনের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার দেবযানী করকে খুলনায় এবং ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার অংমাচিং মারমাকে চট্টগ্রামে বদলি করা হয়েছে।জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, উপজেলা ভূমি অফিসে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের আকস্মিক পরিদর্শনের পর এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।পরিদর্শনের সময় কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিসে উপস্থিত ছিলেন না। অভিযোগ ওঠে, তারা উপস্থিত না থেকেও হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর করেছিলেন।এ ঘটনায় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার সাদিয়া আক্তারকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি বর্তমানে সদরেই দায়িত্ব পালন করছেন।নোটিশে বলা হয়, অফিস সময়ে অনুপস্থিত থাকা এবং আগাম হাজিরা দেওয়া সরকারি কর্মচারী আচরণবিধির লঙ্ঘন। এ বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।এ ছাড়া সদর, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ সার্কেলের ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকারীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এর আগে ৩১ আগস্ট সকালে নারায়ণগঞ্জ নগরীর খানপুর এলাকায় অবস্থিত সদর উপজেলা ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী।সকাল ৯টার পরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিসে উপস্থিত না থাকায় তিনি হাজিরা খাতা পরীক্ষা করেন। পরে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।