ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

স্বাধীনতার দাবিতে একজোট তিন অঞ্চল, চাপ বাড়ছে লন্ডনের ওপর

যুক্তরাজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার দাবিতে যৌথভাবে কাজ করার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন ওয়েলস, স্কটল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের সরকারপ্রধানরা। চুক্তির পর তাঁরা বলেন, ‘ওয়েস্টমিনস্টারের সময় ফুরিয়ে আসছে।’সোমবার কার্ডিফে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন ওয়েলসের ফার্স্ট মিনিস্টার ও প্লেইড কিমরু নেতা রুন আপ ইওরওয়ার্থ, স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার ও স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির নেতা জন সুইনি এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার মিশেল ও’নিল। বৈঠকে সিন ফেইনের প্রেসিডেন্ট মেরি লু ম্যাকডোনাল্ডও উপস্থিত ছিলেন।চুক্তিটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। এতে যুক্তরাজ্যের অর্থায়নব্যবস্থা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং প্রতিটি অঞ্চলের সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ নিজেরা নির্ধারণের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। শিশু দারিদ্র্য মোকাবিলা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকারও রয়েছে।নেতারা বলেন, ওয়েস্টমিনস্টারের কোনো সরকারেরই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার অধিকার নেই। প্রতিটি জাতি নিজেদের পদ্ধতি ও সময় অনুযায়ী ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।রুন আপ ইওরওয়ার্থ বলেন, ওয়েস্টমিনস্টারকেন্দ্রিক ব্যবস্থা আর কার্যকর নয়—এমন উপলব্ধি বাড়ছে। ওয়েলসের জনগণ নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এবং সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও সম্পদ ওয়েলসের থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জন সুইনি বলেন, যুক্তরাজ্যের সাংবিধানিক ইতিহাসে সোমবারের দিনটি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, স্কটল্যান্ডের জনগণ গণভোটের সুযোগ পেলে স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দিতে পারেন।মিশেল ও’নিল বলেন, উত্তর আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলস আলাদা অগ্রাধিকার নিয়ে এগোলেও ওয়েস্টমিনস্টার তাদের জনগণের স্বার্থ যথাযথভাবে দেখছে না।তবে ওয়েলসের স্বাধীনতা নিয়ে কোনো গণভোটের সময়সূচি ঘোষণা করেননি রুন আপ ইওরওয়ার্থ। তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত ওয়েলসের জনগণের সম্মতির ওপর নির্ভর করবে।সূত্র: এপি

স্বাধীনতার দাবিতে একজোট তিন অঞ্চল, চাপ বাড়ছে লন্ডনের ওপর