ঢাকা    রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমে জবানবন্দিতে সেনাসদস্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর গুমের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস। রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তিনি এ সাক্ষ্য প্রদান করেন।আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে চলমান মামলায় পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন তিনি।জবানবন্দিতে ইমরুল কায়েস জানান, তিনি ২০০১ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত র‌্যাব সদর দপ্তরে প্রেষণে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি র‌্যাব ইন্টেলিজেন্স শাখার ‘রানার’ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন এবং জিয়াউল আহসানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন বলে উল্লেখ করেন।ইলিয়াস আলীর গুমের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল তিনি মহাখালী এলাকায় একটি অভিযানে অংশ নেন। সেখানে জিয়াউল আহসানসহ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন। তবে অভিযানের লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি আগে থেকে অবগত ছিলেন না।তিনি আরও জানান, পরে তিনি ছুটিতে গেলে জানতে পারেন, ওই সময় বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হয়েছেন। ছুটি শেষে কাজে যোগ দিয়ে র‌্যাব সদর দপ্তরে তিনি ‘থমথমে পরিবেশ’ দেখতে পান এবং সহকর্মীদের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারেন।জবানবন্দিতে ইমরুল কায়েস আরও দাবি করেন, পরবর্তীতে অস্ত্রের রেজিস্টার ও সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট করার বিষয়েও তিনি জানতে পারেন।এছাড়া একটি ফোনালাপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জিয়াউল আহসান এক সময় ঊর্ধ্বতন একজনের সঙ্গে কথা বলার সময় ইলিয়াস আলী প্রসঙ্গে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বলে তিনি শুনেছেন। তবে সেই কথোপকথনের পুরো বিষয় তিনি জানেন না। উল্লেখ্য, ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনাটি দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত রাজনৈতিক ইস্যু। চলমান এই মামলায় আসামি হিসেবে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমে জবানবন্দিতে সেনাসদস্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য