ঢাকা    শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ক্রিপ্টোকারেন্সি হারাম, বিস্তারিত ফতোয়া দিলেন মুফতি তাকি উসমানি

পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচির প্রেসিডেন্ট ও ফেডারেশন অব আরব স্কুলসের সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ক্রিপ্টোকারেন্সির কেনাবেচাকে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী অবৈধ (হারাম) ঘোষণা করে একটি বিস্তারিত ফতোয়া প্রকাশ করেছেন।ফতোয়ায় বলা হয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি ইসলামি শরিয়াহর দৃষ্টিতে ‘মাল’ বা বৈধ সম্পদের শর্ত পূরণ করে না। তাই এটি কেনাবেচার জন্য শরিয়াহসম্মত সম্পদ হিসেবে গণ্য হতে পারে না। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমান বিশেষজ্ঞ মতামত ও গবেষণার ভিত্তিতে ক্রিপ্টোকারেন্সি কোনো বাস্তব বা শরিয়াহ-স্বীকৃত সম্পদ নয়; বরং এটি ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে থাকা কিছু ভার্চুয়াল সংখ্যার সমষ্টি।[BANGVIEWS-POST:1574]মুফতি তাকি উসমানি বলেন, ইসলামি আইনে বৈধ মালিকানার জন্য যেসব মৌলিক শর্ত রয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি তা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে এর মাধ্যমে যেকোনো ধরনের ক্রয়-বিক্রয় বা লেনদেনকে শরিয়াহসম্মত বলা যায় না।ফতোয়ায় আরও বলা হয়েছে, বিটকয়েন, ইউএসডিটি, বিভিন্ন স্টেবলকয়েন কিংবা অন্য যেকোনো ধরনের ক্রিপ্টো টোকেন ব্যবহার করে পণ্য কেনাবেচা বা আর্থিক লেনদেন শরিয়াহসম্মত নয়। ভার্চুয়াল কারেন্সি, ক্রিপ্টো টোকেন বা স্টেবলকয়েন যে নামেই পরিচিত হোক না কেন, সবার ক্ষেত্রেই একই শরিয়াহ বিধান প্রযোজ্য হবে।[BANGVIEWS-POST:1573]ফতোয়া প্রদানকারী আলেমদের মতে, ইসলামি ফিকহে সম্পদ ও মালিকানার যে সংজ্ঞা নির্ধারিত রয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি তা পূরণ করতে পারে না। তাই শরিয়াহর দৃষ্টিতে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ, ট্রেডিং ও লেনদেন নিষিদ্ধ।বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামি অর্থনীতি ও শরিয়াহভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থায় ক্রিপ্টোকারেন্সির বৈধতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে মুফতি তাকি উসমানির এই ফতোয়া নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সূত্র: সামা টিভি

 ক্রিপ্টোকারেন্সি হারাম, বিস্তারিত ফতোয়া দিলেন মুফতি তাকি উসমানি