ঢাকা    সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

সেনাবাহিনীর সহায়তায় আল আকসায় ঢুকে পড়ল ১৫০০ ইহুদি

জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রায় দেড় হাজার ইসরায়েলি প্রবেশ করেছেন বলে জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে। ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব সুক্কোতের দ্বিতীয় দিনে এ ঘটনা ঘটে। এরপর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আল-মাগারিবা ফটক বন্ধ করে দেয়। এই ফটকটি ডাং গেট নামেও পরিচিত।জেরুজালেম গভর্নরেটের ভাষ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলিরা দলে দলে মাগারিবা ফটক দিয়ে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। এ সময় ইসরায়েলি পুলিশ তাদের কড়া নিরাপত্তা দেয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাঙ্গণে প্রবেশের পর তারা তালমুদীয় রীতি পালন ও প্রার্থনা করেন। বিশেষ করে আল-আকসা মসজিদের একটি প্রবেশপথ আল-কাত্তানিন ফটকের কাছে এসব ধর্মীয় আচার পালন করা হয়। একই সময়ে তথাকথিত ‘উদ্ভিদ নৈবেদ্য’ও মসজিদ প্রাঙ্গণে আনা হয়।এ ছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী আল-কাত্তানিন বাজারের কয়েকজন দোকানমালিককে দোকান বন্ধ করতে বাধ্য করে বলে জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে। আল-আকসার দিকে যাওয়া এই বাজারের ভেতরেও ইসরায়েলিরা তালমুদীয় রীতি পালন করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এ সময় জেরুজালেমের পুরোনো শহরে সাধারণ মানুষের চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরও কঠোর করা হয়। আল-আকসা মসজিদের বাইরের একটি ফটক আল-হুত্তা ফটকের কাছেও ইসরায়েলিরা প্রার্থনা করেন বলে জানানো হয়েছে। সুক্কোতের দ্বিতীয় দিনেও আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ এবং ধর্মীয় আচার অব্যাহত ছিল।আল-আকসা মসজিদ ও জেরুজালেমের পুরোনো শহরের আশপাশে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ও সামরিক ব্যবস্থা জোরদার করেছে। একই সঙ্গে মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশ এবং চলাচলের ওপরও বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।জেরুজালেম গভর্নরেটের মতে, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ওই স্থানে একটি নতুন বাস্তবতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। গভর্নরেটের ভাষ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে ঐতিহাসিকভাবে চলে আসা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা, স্থানটির নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করা এবং সময় ও স্থান ভাগ করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।আল-আকসা মসজিদ ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে বিবেচিত। ইহুদিরা এলাকাটিকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে অভিহিত করে। ইহুদি ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী, এই স্থানেই প্রাচীন দুটি ইহুদি মন্দির ছিল বলে তারা দাবি করে।

সেনাবাহিনীর সহায়তায় আল আকসায় ঢুকে পড়ল ১৫০০ ইহুদি