সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন আর্দা গুলের
বিশ্বকাপে বড় স্বপ্ন নিয়ে আসা তুরস্কের বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে গ্রুপ পর্বের এক ম্যাচ বাকি থাকতেই। অস্ট্রেলিয়ার পর প্যারাগুয়ের কাছেও হেরে নকআউট পর্বে ওঠার আশা শেষ হয়ে যায় দলটির।তুরস্কের এবারের দলকে অনেকেই দেশটির সোনালি প্রজন্ম হিসেবে দেখছিলেন। তরুণ প্রতিভা ও ইউরোপের বড় ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের নিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশাও ছিল অনেক বেশি। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যায়নি।প্রথম দুই ম্যাচে তুরস্ক শুধু হারেনি, গোল করতেও ব্যর্থ হয়েছে। যোগ করা সময়সহ প্রায় ২০০ মিনিট মাঠে থেকেও প্রতিপক্ষের জাল খুঁজে পাননি তুর্কি ফুটবলাররা। ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা দলটির জন্য এটি বড় হতাশা হয়ে এসেছে।সবচেয়ে বেশি নজর ছিল আর্দা গুলেরের ওপর। রিয়াল মাদ্রিদের এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারকে ঘিরে সমর্থকদের আশা ছিল আকাশচুম্বী। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে তিনি প্রত্যাশিত প্রভাব রাখতে পারেননি।বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন গুলের। তিনি বলেন, দলের খেলোয়াড়রা লজ্জিত এবং সমর্থকদের কাছে দুঃখিত। বিশ্বমানের ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের নিয়ে গড়া দল হিসেবে বিশ্বকাপে আরও ভালো করা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি।গুলের আরও বলেন, দুই ম্যাচে একটি গোলও করতে না পারা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সমর্থকদের আনন্দ দিতে না পারায় দলের সবাই ব্যথিত। এই হতাশাজনক বিশ্বকাপ ভুলে যেতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলেও জানান।তুরস্কের কোচ ভিনসেঞ্জো মনতেল্লাও দলের বিদায়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তবে খেলোয়াড়দের লড়াই ও চেষ্টার প্রশংসা করেছেন তিনি। তার মতে, দল সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও ফল পক্ষে আসেনি।বিশ্বকাপে তুরস্কের শেষ গ্রুপ ম্যাচ আগামী শুক্রবার সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে গ্রুপ ডি থেকে সবার আগে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।