ডিসেম্বরের মধ্যে আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গির নির্মাণকাজ শেষ করার নির্দেশ
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন ও টঙ্গি ইউ-টার্ন এলাকায় চলমান ড্রেনেজ ও রোড আইল্যান্ড নির্মাণকাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে প্রকল্পের অগ্রগতি দ্রুত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন ও টঙ্গি ইউ-টার্ন এলাকায় চলমান নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে এ নির্দেশ দেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।পরিদর্শনের সময় তিনি রিজিড পেভমেন্ট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রোড আইল্যান্ড এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৫০ মিটার রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ শেষ হয়েছে।এ সময় নির্মাণকাজের মান, কর্মপরিবেশ এবং কাজ চলাকালে সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থাও পর্যালোচনা করেন সেতু সচিব।বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন ও টঙ্গি ইউ-টার্ন এলাকায় রিজিড পেভমেন্ট ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে। চলতি বছরের এপ্রিলে রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ শুরু হয়।এর আগে জুলাইয়ে আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশনের একটি অংশে চলমান কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করা হয়েছিল। তখনও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মান বজায় রেখে নির্মাণকাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।রোববারের পরিদর্শনে মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে, তবে কোনোভাবেই কাজের গুণগত মানের সঙ্গে আপস করা যাবে না। ড্রেনেজ ও রোড আইল্যান্ডের বাকি কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।সেতু সচিব বলেন, আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বহির্গমন পথ। এখানকার সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং চলমান কাজ শেষ হলে যানবাহন চলাচল আরও স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন হবে।রাজধানীর সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পরিবহন অবকাঠামোর সংযোগ থাকায় নগর পরিবহন ব্যবস্থায় আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গি এলাকার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।পরিদর্শনের সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।