মিশিগানে এগিয়ে আবদুল এল-সাইয়েদ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট আসনের প্রাথমিক ভোট গণনায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ সুস্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের সম্প্রচারিত ফলাফলে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত গণনা করা ভোটের হিসাবে তিনি পেয়েছেন ৫৪ দশমিক ৩ শতাংশ সমর্থন, যেখানে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মাইক রজার্স পেয়েছেন ৪৪ শতাংশ ভোট। তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট গণনা এখনও বাকি থাকায় কাউকেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি।প্রাপ্ত সরকারি তথ্যানুযায়ী, মিশিগানে এ পর্যন্ত মোট ১০ লাখ ৭২ হাজার ৬৪২টি ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে, যা মোট কাস্টিং ভোটের প্রায় ২১ দশমিক ৭ শতাংশ। অঙ্গরাজ্যটিতে এখনও প্রায় ৩৮ লাখ ৬২ হাজার ব্যালট গণনা বাকি রয়েছে। প্রাথমিক এই ফলাফলে আবদুল এল-সাইয়েদের ঝুলিতে জমা পড়েছে ৫ লাখ ৮২ হাজার ৭৪৬টি ভোট। অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স পেয়েছেন ৪ লাখ ৭১ হাজার ৬৩৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী লিডিয়া ক্রিস্টেনসেন পেয়েছেন ৯ হাজার ৮৯১ ভোট। নির্বাচনী পরিসংখ্যান ও ভোট ব্যবধান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রাথমিক এই ঘাটতি পুষিয়ে এল-সাইয়েদকে পরাজিত করতে হলে মাইক রজার্সকে বাকি থাকা অনাবৃত ভোটের অন্তত ৫০ দশমিক ৬ শতাংশ নিশ্চিত করতে হবে।চলতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সবকটি (৪৩৫টি) আসন এবং সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে সরাসরি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর পাশাপাশি ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর পদের জন্যও ভোট দিয়েছেন নাগরিকেরা। মূলত প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের এই সম্মিলিত ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলের দুই কক্ষের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে।বর্তমানে কংগ্রেসের উভয় কক্ষই ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, ফলে যেকোনো একটি কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরিয়ে এনে নীতি নির্ধারণে ভারসাম্য ফেরাতে মরিয়া ডেমোক্র্যাটরা। ভোট গণনা শুরুর পর প্রথম দিককার ফলাফলে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মার্ক ওয়ার্নারকে ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিক বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সিনেটের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে যাবে, তা নির্ধারণে মিশিগানের পাশাপাশি আলাস্কা, আইওয়া, কানসাস, মেইন, ওহাইও ও টেক্সাসের মতো দোদুল্যমান ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যের চূড়ান্ত ফলাফল মূল ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে।সূত্র: এনবিসি নিউজ