ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাধ্য করা হলে রাজপথেও নামবো: গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোটারদের প্রতি জামায়াত আমির

বাংলা ভিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 6

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন এবং যারা জামায়াতকে ভোট দিয়েছেন—তাদের পাশে জামায়াত আগেও ছিল, এখন আরও শক্তভাবে থাকবে। তিনি বলেন, “আমাদের যদি বাধ্য করা হয়, তাহলে রাজপথেও আমরা নামবো।”

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানানো হয়। বৈঠকের আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল ভোট কারচুপি, নির্বাচনী এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া বা বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ। পাশাপাশি ১১ দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের ওপর হামলা এবং বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার মতো ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এসব বন্ধের দাবি তোলা হয়। নেতারা বলেন, এসব বন্ধ না হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচন মানেই হার-জিত থাকবে। তবে তা স্বাভাবিক হলে আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু বড় ধরনের বৈষম্য ও অনিয়ম হলে এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি জানানোর পরও দেশের বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলে তা “ফ্যাসিবাদী লক্ষণ” বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, হামলা-ভাঙচুর ও হুমকি-ধমকির দায় সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে। যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন, সরকার গঠন করলে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন জামায়াত আমির।

এদিকে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, লেবার পার্টি, জাগপা, এলডিপি, নেজামে ইসলাম পার্টিসহ বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বাধ্য করা হলে রাজপথেও নামবো: গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোটারদের প্রতি জামায়াত আমির

আপডেট: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন এবং যারা জামায়াতকে ভোট দিয়েছেন—তাদের পাশে জামায়াত আগেও ছিল, এখন আরও শক্তভাবে থাকবে। তিনি বলেন, “আমাদের যদি বাধ্য করা হয়, তাহলে রাজপথেও আমরা নামবো।”

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানানো হয়। বৈঠকের আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল ভোট কারচুপি, নির্বাচনী এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া বা বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ। পাশাপাশি ১১ দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের ওপর হামলা এবং বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার মতো ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এসব বন্ধের দাবি তোলা হয়। নেতারা বলেন, এসব বন্ধ না হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচন মানেই হার-জিত থাকবে। তবে তা স্বাভাবিক হলে আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু বড় ধরনের বৈষম্য ও অনিয়ম হলে এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি জানানোর পরও দেশের বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলে তা “ফ্যাসিবাদী লক্ষণ” বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, হামলা-ভাঙচুর ও হুমকি-ধমকির দায় সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে। যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন, সরকার গঠন করলে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন জামায়াত আমির।

এদিকে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, লেবার পার্টি, জাগপা, এলডিপি, নেজামে ইসলাম পার্টিসহ বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।