ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেষ মুহূর্তে ১০ শতাংশ ভোট কারচুপি হয়েছে : নাহিদ

বাংলা ভিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 10

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল নিয়ে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তাঁর দাবি, শেষ মুহূর্তে প্রায় ১০ শতাংশ ভোটে কারচুপি হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের জরুরি বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, অনেক আসনকে টার্গেট করে প্রশাসনকে ব্যবহার করে জোরপূর্বক ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এসব ঘটানো হয়েছে।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “আমরা যে পরিকল্পনার কথা শুনেছি, সেটিই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যেভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছে, এই দলের কাছে মানুষ কতটা নিরাপদ—তা এখন প্রশ্নের বিষয়।”

এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, নির্বাচনে মূলত দুটি পক্ষ ছিল—একটি পক্ষ সংস্কারের পক্ষে, অন্যটি পুরোনো বন্দোবস্ত ফিরিয়ে আনতে চায়।

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও ভোট নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনকে আমরা স্বাগত জানিয়েছিলাম। বাংলাদেশ স্থিতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু যদি দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়, তা দুর্ভাগ্যজনক হবে। একটি সময় পর্যন্ত ভোট ভালো দেখানো হয়েছে, পরে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে।”

ভোটগণনায় উল্টো ফল প্রকাশের অভিযোগও করেন তিনি।

হুঁশিয়ারি দিয়ে মামুনুল হক বলেন, “জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধ্বংস করা হলে আমরা আপস করব না। জনগণের রায়কে অশ্রদ্ধা করা হয়েছে। আশা করি, দেশের মানুষ তাদের অধিকার আদায় করবে।”

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

শেষ মুহূর্তে ১০ শতাংশ ভোট কারচুপি হয়েছে : নাহিদ

আপডেট: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল নিয়ে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তাঁর দাবি, শেষ মুহূর্তে প্রায় ১০ শতাংশ ভোটে কারচুপি হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের জরুরি বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, অনেক আসনকে টার্গেট করে প্রশাসনকে ব্যবহার করে জোরপূর্বক ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এসব ঘটানো হয়েছে।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “আমরা যে পরিকল্পনার কথা শুনেছি, সেটিই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যেভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছে, এই দলের কাছে মানুষ কতটা নিরাপদ—তা এখন প্রশ্নের বিষয়।”

এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, নির্বাচনে মূলত দুটি পক্ষ ছিল—একটি পক্ষ সংস্কারের পক্ষে, অন্যটি পুরোনো বন্দোবস্ত ফিরিয়ে আনতে চায়।

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও ভোট নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনকে আমরা স্বাগত জানিয়েছিলাম। বাংলাদেশ স্থিতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু যদি দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়, তা দুর্ভাগ্যজনক হবে। একটি সময় পর্যন্ত ভোট ভালো দেখানো হয়েছে, পরে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে।”

ভোটগণনায় উল্টো ফল প্রকাশের অভিযোগও করেন তিনি।

হুঁশিয়ারি দিয়ে মামুনুল হক বলেন, “জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধ্বংস করা হলে আমরা আপস করব না। জনগণের রায়কে অশ্রদ্ধা করা হয়েছে। আশা করি, দেশের মানুষ তাদের অধিকার আদায় করবে।”

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।