ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড : সঞ্জয় ও ফয়সালের দায় স্বীকার

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট: শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 14

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া সঞ্জয় চিসিম ও তার সহযোগী মো. ফয়সাল আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের বক্তব্য গ্রহণ করে দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় রিকশায় থাকা অবস্থায় শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করেন মোটরসাইকেল আরোহী ফয়সাল করিম মাসুদ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। শুরুতে মামলাটি হত্যাচেষ্টাসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় রুজু হলেও শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা, বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার করে গুরুতর আঘাত এবং অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।

শেয়ার করুন

ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড : সঞ্জয় ও ফয়সালের দায় স্বীকার

আপডেট: শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া সঞ্জয় চিসিম ও তার সহযোগী মো. ফয়সাল আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের বক্তব্য গ্রহণ করে দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় রিকশায় থাকা অবস্থায় শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করেন মোটরসাইকেল আরোহী ফয়সাল করিম মাসুদ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। শুরুতে মামলাটি হত্যাচেষ্টাসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় রুজু হলেও শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা, বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার করে গুরুতর আঘাত এবং অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।