ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এক এনআইডির বিপরীতে অনেকগুলো মোবাইল, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট: শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 16

দেশের মোবাইল বাজার থেকে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট নির্মূলে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। তবে এই ব্যবস্থা চালুর পর একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে অপ্রত্যাশিতভাবে অনেক বেশি মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধিত দেখানোর বিষয়টি নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

এ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, কারিগরি কারণে এমনটি দেখালেও দ্রুতই তা সংশোধন হয়ে যাবে এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে কোনো হ্যান্ডসেটই বন্ধ হবে না।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব তথ্য স্পষ্ট করেন।

ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব লিখেন, ‘এনইআইআর চালুর পরেও আগামী ৯০ দিন কারো অবৈধ কিংবা ক্লোন করা হ্যান্ডসেট বন্ধ হবে না। সুতরাং বিনীতভাবে অনুরোধ করছি কেউ প্যানিকড হবেন না।’

এনআইডিতে অধিক সংখ্যক ফোন সচল দেখানোর পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, অপারেটরদের কাছ থেকে প্রায় তিন বিলিয়নের বেশি ডাটা সেট পাওয়া গেছে। অপারেটররা পুরোনো ও ঐতিহাসিক ডাটা (হিস্টোরিক ডাটা) সহ সবকিছুই সিস্টেমে আপলোড করেছে। কিন্তু মাইগ্রেশনের তারিখটা বর্তমানের দেখানোর ফলে অনেকের এনআইডিতে সচল হ্যান্ডসেটের সংখ্যা বেশি দেখাচ্ছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে এটি নিয়ে কাজ করছে। ধীরে ধীরে ঐতিহাসিক ডাটাগুলো আর্কাইভে সরিয়ে শুধুমাত্র বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটের সংখ্যা দেখানো হবে। এই প্রক্রিয়ার জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।

ডেটাবেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, নিরাপদ ডিজিটাল টোকেন (জেডব্লিওটি) কাজ করছে এবং রেট লিমিট করা হয়েছে। ডেটা পেতে এখন এনআইডি জানতে হবে। অধিকতর নিরাপত্তার জন্য সিস্টেমে আরও একটি লেয়ার যুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

এক এনআইডির বিপরীতে অনেকগুলো মোবাইল, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ

আপডেট: শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের মোবাইল বাজার থেকে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট নির্মূলে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। তবে এই ব্যবস্থা চালুর পর একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে অপ্রত্যাশিতভাবে অনেক বেশি মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধিত দেখানোর বিষয়টি নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

এ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, কারিগরি কারণে এমনটি দেখালেও দ্রুতই তা সংশোধন হয়ে যাবে এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে কোনো হ্যান্ডসেটই বন্ধ হবে না।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব তথ্য স্পষ্ট করেন।

ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব লিখেন, ‘এনইআইআর চালুর পরেও আগামী ৯০ দিন কারো অবৈধ কিংবা ক্লোন করা হ্যান্ডসেট বন্ধ হবে না। সুতরাং বিনীতভাবে অনুরোধ করছি কেউ প্যানিকড হবেন না।’

এনআইডিতে অধিক সংখ্যক ফোন সচল দেখানোর পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, অপারেটরদের কাছ থেকে প্রায় তিন বিলিয়নের বেশি ডাটা সেট পাওয়া গেছে। অপারেটররা পুরোনো ও ঐতিহাসিক ডাটা (হিস্টোরিক ডাটা) সহ সবকিছুই সিস্টেমে আপলোড করেছে। কিন্তু মাইগ্রেশনের তারিখটা বর্তমানের দেখানোর ফলে অনেকের এনআইডিতে সচল হ্যান্ডসেটের সংখ্যা বেশি দেখাচ্ছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে এটি নিয়ে কাজ করছে। ধীরে ধীরে ঐতিহাসিক ডাটাগুলো আর্কাইভে সরিয়ে শুধুমাত্র বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটের সংখ্যা দেখানো হবে। এই প্রক্রিয়ার জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।

ডেটাবেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, নিরাপদ ডিজিটাল টোকেন (জেডব্লিওটি) কাজ করছে এবং রেট লিমিট করা হয়েছে। ডেটা পেতে এখন এনআইডি জানতে হবে। অধিকতর নিরাপত্তার জন্য সিস্টেমে আরও একটি লেয়ার যুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।