ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাইফউদ্দিন-নাসিরের জুটিতে কোনোমতে একশো পার ঢাকার

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট: শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 6

চট্টগ্রাম রয়্যালসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারল না ঢাকা ক্যাপিটালস। শুরু থেকেই উইকেট হারাতে হারাতে মাঝের ওভারগুলোতে পুরোপুরি চাপে পড়ে যায় মিঠুনের দল। শেষদিকে নাসির হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ৪৮ রানের কার্যকর জুটিতে কোনোমতে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছায় ঢাকা। নির্ধারিত ২০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ১২২ রান।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে চট্টগ্রাম রয়্যালসের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ঢাকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান। সিদ্ধান্তের শুরুটাই সফল করে দেন পেসার শরিফুল ইসলাম। পাওয়ার প্লেতেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন তিনি—সাইফ হাসান ১ ও জুবাইদ আকবরী করেন ২ রান।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকায় ইনিংস গতি পায়নি। উসমান খান ২১ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও অন্যরা দ্রুত ফিরে যান। মোহাম্মদ মিঠুন ৮, শামীম হোসেন ৪, সাব্বির রহমান ৯ এবং ইমাদ ওয়াসিম ৯ রান করে আউট হন।

তবে অষ্টম উইকেটে সাইফউদ্দিন-নাসির জুটি ঢাকাকে বড় বিপর্যয় থেকে কিছুটা রক্ষা করে। সাইফউদ্দিন দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন, নাসির যোগ করেন ১৭। শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ৫ রান পেলেও সালমান মির্জা খাতা খুলতে পারেননি।

চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে ধারালো ছিলেন তানভীর ইসলাম। ৪ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন তিনি। শরিফুলও ছিলেন সমান কার্যকর—৪ ওভারে ১৮ রান খরচায় ৩ উইকেট। অধিনায়ক শেখ মেহেদী নেন ২টি, আর আমির জামাল নেন ১টি উইকেট।

শেয়ার করুন

সাইফউদ্দিন-নাসিরের জুটিতে কোনোমতে একশো পার ঢাকার

আপডেট: শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম রয়্যালসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারল না ঢাকা ক্যাপিটালস। শুরু থেকেই উইকেট হারাতে হারাতে মাঝের ওভারগুলোতে পুরোপুরি চাপে পড়ে যায় মিঠুনের দল। শেষদিকে নাসির হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ৪৮ রানের কার্যকর জুটিতে কোনোমতে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছায় ঢাকা। নির্ধারিত ২০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ১২২ রান।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে চট্টগ্রাম রয়্যালসের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ঢাকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান। সিদ্ধান্তের শুরুটাই সফল করে দেন পেসার শরিফুল ইসলাম। পাওয়ার প্লেতেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন তিনি—সাইফ হাসান ১ ও জুবাইদ আকবরী করেন ২ রান।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকায় ইনিংস গতি পায়নি। উসমান খান ২১ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও অন্যরা দ্রুত ফিরে যান। মোহাম্মদ মিঠুন ৮, শামীম হোসেন ৪, সাব্বির রহমান ৯ এবং ইমাদ ওয়াসিম ৯ রান করে আউট হন।

তবে অষ্টম উইকেটে সাইফউদ্দিন-নাসির জুটি ঢাকাকে বড় বিপর্যয় থেকে কিছুটা রক্ষা করে। সাইফউদ্দিন দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন, নাসির যোগ করেন ১৭। শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ৫ রান পেলেও সালমান মির্জা খাতা খুলতে পারেননি।

চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে ধারালো ছিলেন তানভীর ইসলাম। ৪ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন তিনি। শরিফুলও ছিলেন সমান কার্যকর—৪ ওভারে ১৮ রান খরচায় ৩ উইকেট। অধিনায়ক শেখ মেহেদী নেন ২টি, আর আমির জামাল নেন ১টি উইকেট।