ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে আমরা ‘হ্যা’ এর পক্ষে: আহমাদুল্লাহ অনলাইনে প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা : ইসি সানাউল্লাহ ৫০ লাখ নয়, বৈধ খাত দেখাতে পারলে ৫ কোটি টাকা বহনেও বাধা নেই: ইসি জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ইসলামী আন্দোলন গাইবান্ধায় ভোটের সব প্রস্তুতি শেষ, জমে উঠেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ব্যালট পাঠানো শুরু, বৃহস্পতিবার ভোটে নির্ধারিত হবে ভাগ্য স্বতন্ত্র প্রার্থীর নাম ব্যবহার করে সাড়ে ১০ লাখ টাকা, মাইক্রোবাস জব্দ কেউ কেউ অপতথ্য ছড়াচ্ছে মন্তব্য জামায়াত আমিরের অর্ধকোটি টাকাসহ আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াত আমির, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ নিয়ে জাতিসংঘের বার্তা

নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ নিয়ে জাতিসংঘের বার্তা

বাংলা ভিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 8

আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বুধবার বাংলাদেশে জাতিসংঘ কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, নির্বাচনে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ সবার মৌলিক অধিকার। এর মধ্যে সব নারী ও মেয়েশিশুর অধিকার যেমন রয়েছে, তেমনি বিশেষভাবে প্রতিবন্ধী নারী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী, ভিন্ন লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষ এবং যারা সমাজে বেশি বাধা, বৈষম্য বা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকিতে থাকেন—তাদের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত।

বিবৃতিতে জানানো হয়, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন নারী সংগঠন ও নাগরিক সমাজ নারী প্রার্থী ও ভোটারদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও হয়রানি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, বিশেষ করে অনলাইনে সহিংসতার বিষয়ে জাতিসংঘ সচেতন। জাতিসংঘের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক নেতা, কর্মী, সাংবাদিক ও মানবাধিকার রক্ষাকারীসহ জনজীবনে সক্রিয় নারীরা সাইবার বুলিং, ডিপফেক, পরিকল্পিত হয়রানি এবং ছবি বিকৃত করে অপব্যবহারের ঘটনা বৃদ্ধির কথা জানাচ্ছেন। একইসঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পরিবর্তিত বা যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসছে।

জাতিসংঘ আরও বলেছে, নারীদের অর্থপূর্ণ প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে তারা সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে এবং নারীদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দিচ্ছে। নারীসহ সব ভোটার যেন ভয়ভীতি, বৈষম্য, অনলাইন নির্যাতন বা প্রতিশোধের আশঙ্কা ছাড়া প্রার্থী ও ভোটার হিসেবে অংশ নিতে পারেন—এটি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে জাতিসংঘ সব অংশীদারকে, বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতা, রাজনৈতিক দল এবং তাদের সমর্থকদের আহ্বান জানায়—নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীদের প্রতি কোনো ধরনের হয়রানি, সহিংসতা বা ভয়ভীতি যেন প্রদর্শন না করা হয়। জাতিসংঘ বলছে, নারী প্রার্থী ও ভোটারদের অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য—এবং এই নীতিই সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য।

এছাড়া জাতিসংঘ আশা প্রকাশ করেছে, কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা, আইনের শাসন এবং প্রতিটি ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে। সবার নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের পাশে থেকে সহায়তা করতে জাতিসংঘ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।

শেয়ার করুন

নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ নিয়ে জাতিসংঘের বার্তা

আপডেট: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বুধবার বাংলাদেশে জাতিসংঘ কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, নির্বাচনে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ সবার মৌলিক অধিকার। এর মধ্যে সব নারী ও মেয়েশিশুর অধিকার যেমন রয়েছে, তেমনি বিশেষভাবে প্রতিবন্ধী নারী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী, ভিন্ন লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষ এবং যারা সমাজে বেশি বাধা, বৈষম্য বা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকিতে থাকেন—তাদের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত।

বিবৃতিতে জানানো হয়, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন নারী সংগঠন ও নাগরিক সমাজ নারী প্রার্থী ও ভোটারদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও হয়রানি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, বিশেষ করে অনলাইনে সহিংসতার বিষয়ে জাতিসংঘ সচেতন। জাতিসংঘের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক নেতা, কর্মী, সাংবাদিক ও মানবাধিকার রক্ষাকারীসহ জনজীবনে সক্রিয় নারীরা সাইবার বুলিং, ডিপফেক, পরিকল্পিত হয়রানি এবং ছবি বিকৃত করে অপব্যবহারের ঘটনা বৃদ্ধির কথা জানাচ্ছেন। একইসঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পরিবর্তিত বা যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসছে।

জাতিসংঘ আরও বলেছে, নারীদের অর্থপূর্ণ প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে তারা সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে এবং নারীদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দিচ্ছে। নারীসহ সব ভোটার যেন ভয়ভীতি, বৈষম্য, অনলাইন নির্যাতন বা প্রতিশোধের আশঙ্কা ছাড়া প্রার্থী ও ভোটার হিসেবে অংশ নিতে পারেন—এটি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে জাতিসংঘ সব অংশীদারকে, বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতা, রাজনৈতিক দল এবং তাদের সমর্থকদের আহ্বান জানায়—নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীদের প্রতি কোনো ধরনের হয়রানি, সহিংসতা বা ভয়ভীতি যেন প্রদর্শন না করা হয়। জাতিসংঘ বলছে, নারী প্রার্থী ও ভোটারদের অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য—এবং এই নীতিই সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য।

এছাড়া জাতিসংঘ আশা প্রকাশ করেছে, কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা, আইনের শাসন এবং প্রতিটি ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে। সবার নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের পাশে থেকে সহায়তা করতে জাতিসংঘ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।